রবিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, ভোর ৫:২০
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

স্বল্প পরিসরে রবিবার থেকে চলবে আদালত

ডেক্সরিপোর্ট  প্রানঘাতি মহামারী করোনা ভাইরাসজনিত উদ্ভুত পরিস্থিতিতে ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে রবিবার থেকে সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালতে সীমিত পরিসরে বিচারকাজ পরিচালিত হবে। বিচারকাজ পরিচালনার সময় কঠোরভাবে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদেরকে বলা হয়েছে।

যদি আদালত প্রাঙ্গন ও এজলাস কক্ষে সামাজিক ও শারীরিক দূরুত্ব বজায় রাখা না হয় তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে আদালতের কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বিচারকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সকল বিচারপতির মতামত গ্রহণের পর বৃহস্পতিবার কোর্ট খোলার এই সিদ্ধান্ত নেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট এএম আমিন উদ্দিন ইত্তেফাককে বলেন, আইনজীবীদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে কোর্ট খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আইনজীবীদের প্রতি আমার অনুরোধ আপনারা অযথা আদালতে ভিড় করবেন না। শুধু যাদের জরুরি বিষয়সমূহ রয়েছে তারা যেন মামলা পরিচালনার জন্য আদালতে যান।

হাইকোর্টে বসবে একটি বেঞ্চ

প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অতীব জরুরি বিষয়সমূহ নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে একটি বেঞ্চ বসবে। ওই বেঞ্চে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি সকল অধিক্ষেত্রের জরুরি বিষয়সমূহ শুনানি ও নিষ্পত্তি করবেন। এছাড়া আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে বিচার কাজ পরিচালিত হবে। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আপিল বিভাগের কনিষ্ঠ বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান। তবে চেম্বার আদালত ও হাইকোর্ট বেঞ্চ সপ্তাহে কতদিন বসবে সেটা এখনো নির্ধারন হয়নি।

সপ্তাহে দু’দিন বসবে অধস্তন আদালত

জরুরি জামিন আবেদনসমূহ শুনানির জন্য সপ্তাহের দুদিন বসবে অধস্তন আদালত। দেশের প্রত্যেক জেলার জেলা ও দায়রা জজ এবং মহানগর এলাকার মহানগর দায়রা জজ তাদের সুবিধামত প্রতি সপ্তাহের যে কোন দু’দিন জামিন শুনানির নিমিত্তে সীমিত আকারে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

এছাড়া চিফ জুডিসিয়াল ও চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকেও সপ্তাহে দু’দিন জামিন আবেদনের শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে। তারা নিজে বা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন ম্যাজিস্ট্রেটরা জামিন শুনানি করতে পারবেন। এসব শুনানিতে একটি আবেদনের পক্ষে একজন আইনজীবী থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। জামিন শুনানিতে কারাগার থেকে আসামি হাজির না করতেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে হাইকোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান জানান, কোর্ট চলাকালীন করোনা ভাইরাসের হাত থেকে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণকে রক্ষা করতে আদালত পরিচালনার কর্মপন্থা নির্ধারণ এবং কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব অনুসরণের নিয়ম-কানুনের বিষয়ে বিচারপতিগণ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।